| বঙ্গাব্দ

এনসিপির দুই হেভিওয়েট প্রার্থীকে ইসির শোকজ: নির্বাচনী মাঠে কড়াকড়ি | ২০২৬

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 18-01-2026 ইং
  • 3960284 বার পঠিত
এনসিপির দুই হেভিওয়েট প্রার্থীকে ইসির শোকজ: নির্বাচনী মাঠে কড়াকড়ি | ২০২৬
ছবির ক্যাপশন: ইসির শোকজ

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন: ঢাকা-৮ ও ঢাকা-১১ আসনের এনসিপি প্রার্থীদের ইসির কড়া শোকজ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা | ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই সনদের ওপর গণভোটকে কেন্দ্র করে নির্বাচনী মাঠে উত্তাপ ছড়াচ্ছে। তবে প্রচারণার শুরুতেই বড় হোঁচট খেয়েছে নতুন রাজনৈতিক শক্তি জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে দলটির দুই শীর্ষ প্রার্থীকে পৃথকভাবে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) প্রদান করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী ও নাহিদ ইসলামকে শোকজ

রোববার (১৮ জানুয়ারি) ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং অফিসার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরীর সই করা পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী মুহাম্মাদ নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী এবং ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী নাহিদ ইসলামকে এই নোটিশ দেওয়া হয়।

শোকজের প্রধান কারণগুলো:

  • আগাম প্রচারণা: ভোটগ্রহণের ৩ সপ্তাহ আগে প্রচারণা শুরু করার নিষেধাজ্ঞা অমান্য করা।

  • বিশাল বিলবোর্ড: নির্বাচনী এলাকার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে রঙিন ছবি ও স্লোগান সংবলিত বড় বিলবোর্ড স্থাপন।

  • বিধি লঙ্ঘন: ‘রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’-এর ১৮ নম্বর বিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

ইসির কড়া নির্দেশনা ও আল্টিমেটাম

রিটার্নিং অফিসারের পক্ষ থেকে দুই প্রার্থীকেই দুটি নির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে: ১. ১৯ জানুয়ারি সকাল ৯টা ৩০ মিনিটের মধ্যে সকল অবৈধ বিলবোর্ড অপসারণ করতে হবে। ২. ১৯ জানুয়ারি সকাল ১১টার মধ্যে সশরীরে বা প্রতিনিধির মাধ্যমে উপস্থিত হয়ে লিখিত জবাব দাখিল করতে হবে।

কমিশন স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, তোরণ, বিলবোর্ড বা দেওয়াল লিখনের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না এবং আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গণভোট ও জুলাই সনদ নিয়ে ইশরাক হোসেনের বক্তব্য

এদিকে, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে চলছে ব্যাপক রাজনৈতিক বিতর্ক। বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে তার অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। তিনি বলেন, "জাতীয় সংসদের সামনে বিএনপি-সহ ২৪টি রাজনৈতিক দল ‘জুলাই সনদের’ স্বাক্ষরকারী হয়েছিল। আমরা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে আছি—সেই প্রমাণ নতুন করে দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।"

উল্লেখ্য যে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটাররা চারটি নির্দিষ্ট সংস্কার প্রস্তাবের ওপর ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দেবেন। যদি ‘হ্যাঁ’ জয়ী হয়, তবে বাংলাদেশের সংসদ দ্বিকক্ষবিশিষ্ট হবে এবং প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতায় বড় ধরণের পরিবর্তন আসবে।

বিশ্লেষণ: কেন এনসিপি প্রার্থীদের টার্গেট করা হলো?

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এনসিপি প্রার্থীরা ‘গণভোটকে হ্যাঁ বলি’ স্লোগানটি ব্যবহার করে কৌশলে আগাম প্রচারণায় অংশ নিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু নির্বাচন কমিশন এটিকে নির্বাচনী আচরণবিধির আওতায় নিয়ে আসায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। এনসিপি এই নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর সাথে জোটবদ্ধ হয়ে লড়ছে, যা লড়াইকে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করে তুলেছে।

প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুনবাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency